WELCOME TO J AHMAD ART STUDIO

ইসলামিক লিপিকলার ঐতিহ্য এবং সমকালীন গ্যালারি এক্সপ্রেশন

J Ahmad Art Studio-তে আপনাকে স্বাগতম। শাস্ত্রীয় থুলথ, দেওয়ানি ও আধুনিক মিশ্রধারার সুনিপুণ জ্যামিতিক বিন্যাসে রচিত আন্তর্জাতিকমানের হস্তশিল্প ক্যানভাস কালেকশন।

শিল্পকর্ম অবলোকন করুন ওয়াসঅ্যাপে যোগাযোগ
স্বাগত ক্যালিগ্রাফি ১
স্বাগত ক্যালিগ্রাফি ২

সৃষ্টির শৈল্পিক পরিক্রমা

০১ / PROCESS
PHASE ০১

জ্যামিতিক কম্পোজিশন

পবিত্র আয়াতের ভাবার্থ, রুল অব থার্ড এবং শাস্ত্রীয় অনুপাত বজায় রেখে অত্যন্ত সুক্ষ্মভাবে প্রাথমিক লেআউট ও স্কেচ প্রস্তুত করা হয়।

PHASE ০২

ক্যানভাস ও টেক্সচার

মিউজিয়াম-গ্রেড ক্যানভাসে স্পেশাল অ্যাক্রিলিক ও টেক্সচার পেস্টের মাধ্যমে সুগভীর ব্যাকগ্রাউন্ড কালার টোন ফুটিয়ে তোলা হয়।

PHASE ০৩

শাস্ত্রীয় ক্যালিগ্রাফি

ঐতিহ্যের বাহক বাঁশের কলম (Qalam) এবং দীর্ঘস্থায়ী পিগমেন্ট ব্যবহার করে নিখুঁত ও প্রাণবন্ত স্ট্রোক টানা হয়।

PHASE ০৪

স্বর্ণালী ফিনিশিং

২৪ ক্যারেট গোল্ড লিফ সংযোজন এবং আর্কাইভাল প্রটেক্টিভ কোটিংয়ের মাধ্যমে শিল্পকর্মের দীর্ঘস্থায়ী স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা হয়।

ক্যালিগ্রাফারের পরিচিতি

০২ / ARTIST
ক্যালিগ্রাফার জুনায়েদ আহমাদ — J Ahmad

J AHMAD

জুনায়েদ আহমাদ (J Ahmad)

CALLIGRAPHER · FINE ARTIST · CREATIVE PRACTITIONER

১০+বছরের শিল্প-অভিজ্ঞতা
৭+বছর সৌদি আরবে ইমামতি
প্রায় ১০০কাস্টমারের একক পেইন্টিং

ঐতিহ্যবাহী আরবি ক্যালিগ্রাফি ও সমসাময়িক বিমূর্ত শিল্পের সমন্বয়ে প্রতিটি কাজকে অর্থবহ, নান্দনিক ও স্বতন্ত্র করে তোলাই শিল্পচর্চার লক্ষ্য।

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

সৌদি আরবের ঐতিহাসিক হাইল অঞ্চলে দীর্ঘ সাত বছরেরও বেশি সময় ধরে সুনামের সাথে মসজিদের ইমামতির দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সৃজনশীল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। পেশাদার শিল্পী, চিত্রশিল্পী এবং ক্যালিগ্রাফার হিসেবে শিল্পজগতের এই অঙ্গনে আমি J Ahmad নামেই পরিচিত, এবং এই সৃজনশীল পেশায় আমার এক দশকেরও বেশি সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে।

শিল্পকলা ও ওস্তাদদের প্রেরণা

আমার শিল্পকর্মের মূল ক্ষেত্রজুড়ে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী আরবি ক্যালিগ্রাফি এবং সমসাময়িক অ্যাবস্ট্রাক্ট বা বিমূর্ত শিল্প। শিল্পসাধনার এই সুদীর্ঘ যাত্রায় আমার হাতেখড়ি হয়েছিল জুনাইদ আহমাদ ক্যালিগ্রাফার সাহেবের নিকট। এরপর বাংলাদেশের নীরব এক বৈপ্লবিক শিল্পী ও সৃজনশীল ব্যক্তিত্ব বশীর মিসবাহ সাহেবের সান্নিধ্য পাই। পরবর্তীতে বাংলাদেশের ক্যালিগ্রাফি জগতের কিংবদন্তি আন্তর্জাতিক শিল্পী জনাব আরিফুর রহমান স্যারের নিকট শিক্ষা গ্রহণ করি। এছাড়া বর্তমান সময়ের আলোচিত ক্যালিগ্রাফি আর্টিস্ট জনাব মাহবুব মোর্শেদ সাহেবের বাংলা ক্যালিগ্রাফি পেইন্টিং কর্মশালায় অংশ নেওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে।

আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আমার দক্ষতাকে শাণিত করতে ক্যালিগ্রাফি শিল্পী জনাব আব্দুর রহিম স্যারের মাধ্যমে অনলাইনে কাবা শরীফের মুহাচ্ছির শায়খ মুখতার আলম শিকদার সাহেবের নিকট খত্বে রুকয়া, দিওয়ানী ও নসখ—এই তিনটি ফন্টের ওপর কোর্স সম্পন্ন করেছি। এমনকি তাঁর শরণাপন্ন হয়ে সরাসরি বেশ কয়েকবার সাক্ষাতের সুযোগ হয়েছে। তায়েফের নিকটবর্তী ‘হাদা’ নামক স্থানে তাঁর সাথে ‘মাজলিসুল খাত্তাতীন’-এ অংশগ্রহণ করেছিলাম, যেখানে বিশিষ্ট খাত্তাত মাসুদ বিন হাফিজ আল মাক্কী সাহেবও উপস্থিত ছিলেন; তাঁর নিকট আমি খত্বে সুলুসের ‘মুফরাদাত’ কোর্স সম্পন্ন করেছি। এছাড়া মিশরের খাত্তাত ওস্তাদ শিবলী সাহেবের নিকট অনলাইনে খত্বে রুকয়া, নসখ, সুলুস ও দিওয়ানির ক্লাস করেছি। অন্যদিকে, ডিজাইন জগতের কিংবদন্তি ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব জনাব শাহ ইফতেখার তারিক সাহেবের নিকট এডোবি ইলাস্ট্রেটর ও ফটোশপ ডিজাইন শিখি। অ্যাক্রিলিক রঙ ও ক্যানভাসের ছোঁয়ায় প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের শিল্পরীতিকে এক সুতোয় গেঁথে তোলার এই যাত্রায় ওস্তাদ ও শিক্ষকদের এই অমূল্য দিকনির্দেশনা আমার কাজকে অনন্য উচ্চতা দিয়েছে।

পেশাদার প্রজেক্ট ও বাণিজ্যিক কর্মপরিধি

শিল্পচর্চার পরিধি শুধু ব্যক্তিগত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখিনি; বরং দেশ ও দেশের বাইরে বড় বড় বাণিজ্যিক প্রজেক্ট সফলভাবে সম্পন্ন করেছি।

সৌদি আরব প্রজেক্ট: হাইলে অবস্থিত বিভিন্ন রিয়েল এস্টেট কোম্পানির তৈরি আবাসিক ও বাণিজ্যিক প্রজেক্টে সফলভাবে কাজ করেছি। দশ তলা বিশিষ্ট বাণিজ্যিক ভবনের পাশাপাশি হাইলের বিভিন্ন রিয়েলিস্টিক কোম্পানির প্রজেক্টে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে, যেখানে প্রতিটি ভবনে বিভিন্ন সাইজের প্রায় ১৫-২০টি করে পেইন্টিং সফলভাবে স্থাপন করেছি। এই কাজগুলোর মধ্যে অ্যাবস্ট্রাক্ট পেইন্টিং, ক্যালিগ্রাফি পেইন্টিং, মডার্ন আর্ট ও উড ডিজাইন অন্তর্ভুক্ত ছিল।

বাংলাদেশ প্রজেক্ট: ঢাকার গুলশানের রিয়েলিস্টিক কোম্পানি 'বেস্ট হোম' নামক প্রতিষ্ঠানের কাজ বেশ প্রশংসার সাথে শেষ করেছি। জাতীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন 'কলরব'-এর অফিসের সবগুলো পেইন্টিং আমার হাতে করা এবং ডিজাইন হাউজ 'প্রিন্ট গ্যালারি'-র কাজগুলোও আমি সফলভাবে সম্পন্ন করেছি।

প্রাতিষ্ঠানিক ও একক কাজ: এছাড়াও প্রায় শতাধিক কাস্টমারের একক পেইন্টিং এবং বিভিন্ন মাদ্রাসার অফিসের জন্য অসংখ্য কাজ করেছি। বহু বাসা-বাড়ির অন্দরসজ্জাতেও আমার শিল্পকর্ম যুক্ত রয়েছে।

প্রদর্শনী, মেলা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন

হাইলে অবস্থিত বিভিন্ন আউট ক্যাম্প, ইভেন্ট এবং 'হাওয়া শিল্পকলা একাডেমি'-র আয়োজিত প্রদর্শনীতে নিয়মিত অংশগ্রহণ করে আসছি, যেখানে প্রতিটি শিল্পকর্ম শিল্পরসিকদের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

২০২৪ সালে বাংলাদেশে জাতীয় ইসলামী বইমেলায় আমার প্রতিষ্ঠান "জাহরা ক্যালিগ্রাফি হাব"-এর ব্যানারে বেশ বর্ণাঢ্য আয়োজন করেছিলাম। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (BUET)-এ সীরাত প্রোগ্রাম সফলভাবে সম্পন্ন করেছিলাম। আমার কাজের ডিজিটাল উপস্থিতি ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে J Ahmad Art Studio নামক প্ল্যাটফর্ম পরিচালনা করছি।

স্বপ্ন, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

একজন শিল্পী হিসেবে আমার মূল লক্ষ্য হলো—গোটা বিশ্বে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়া অঞ্চলে আমার শিল্পকর্ম ছড়িয়ে দেওয়া এবং প্রতিটি ঘরে আমার একটি করে পেইন্টিং পৌঁছে দেওয়া। শুধু শিল্পচর্চাতেই আমি সীমাবদ্ধ নই; বরং সমাজ ও মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন গঠনমূলক উদ্যোগের সাথে যুক্ত রয়েছি। নিজ এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার মহৎ উদ্দেশ্যে আমি Joyag Mother and Child Hospital নামক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের নির্মাণ ও প্রকল্প পরিচালনার মূল দায়িত্বে সক্রিয়ভাবে ভূমিকা পালন করছি।

আগামী দিনেও বিভিন্ন বড় বড় আন্তর্জাতিক ও জাতীয় ইভেন্টে যুক্ত হয়ে শিল্পের এই ধারাকে আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রবল ইচ্ছা রয়েছে। ইনশাআল্লাহ।

যোগাযোগ ও অর্ডার

০৪ / CONTACT

আপনার জায়গা, পছন্দ ও ভাবনাকে শিল্পে রূপ দিতে সরাসরি যোগাযোগ করুন। কাস্টম ক্যালিগ্রাফি, ক্যানভাস পেইন্টিং কিংবা বিশেষ কোনো প্রজেক্ট—প্রাথমিক আলোচনা শুরু হোক WhatsApp-এ।

কাস্টম অর্ডারের প্রাইজ গাইড

প্রতিটি কাজের মূল্য নির্ভর করে মাপ, নকশার জটিলতা, ব্যবহৃত উপকরণ এবং ডেলিভারির স্থানের ওপর। নির্দিষ্ট মূল্য জানতে WhatsApp-এ কাজের বিবরণ পাঠিয়ে প্রাথমিক মূল্যায়ন নিন।

সাইজ: ছোট, মাঝারি বা বড় ক্যানভাসের মাপ জানান।
উপকরণ: অ্যাক্রিলিক, বিশেষ ফিনিশ বা ২৪ ক্যারেট গোল্ড লিফের চাহিদা উল্লেখ করুন।
প্রক্রিয়া: প্রাথমিক আলোচনা → মূল্যায়ন ও কোটেশন → সময়সীমা ও ডেলিভারি নিশ্চিতকরণ।

আপনার বার্তায় কাজের ধরন, আনুমানিক মাপ এবং প্রয়োজনীয় সময় উল্লেখ করলে আলোচনা সহজ হবে।